Facebook

বৃহস্পতিবার, ২ আগস্ট, ২০১৮

সে এক মায়া পরীর গল্প

হারিয়ে যাওয়া  মায়া পরীর প্রতিচ্ছবি
আমি সেদিনো শুকনো পাতার মিছিলে হলুদ পাতার ভিড় দেখছি; খালি চোখে । ঠিক এমন এক সময়ে আমার মনের শূন্যের অবসান ঘটিয়ে আরেক শূনের আগমনে সত্যিই আমি অবাক হয়ে ছিলাম । সাদা কালো জীবনে রঙিন ভাবনার উদয় হয়েছিল, সেই শীতের ভরা মৌসুমে । ফেসবুকের পাতায় তাকে প্রথম বারের মত বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিতে গিয়ে কখন যে হৃদয়টা বাড়িয়ে দিয়েছিলাম বুঝে উঠতে পারিনি... যখন বুঝলাম তখন বেশ দেরি হয়ে গেছে ! বৃষ্টি শেষে রোদ উঠে গেছে । আমি সেদিনো বুঝেই উঠতে পারিনি সেই স্বপ্ন দেখার জ্বালাটা আমাকে পুড়িয়ে ছারখার করে দিবে...মায়া পরি চলে গেছে... আজ অনেক দূরে... হাতের কাছে সে মোবাইলে তোমার নাম্বারটি ডায়াল করার জন্য উস-পিস করে, শেষ পর্যন্ত আর সাহস হয়ে উঠেনা ! মায়া পরী আজো তোমার পূরানো স্মৃতি থেকে তোমার সেই ফেলা যাওয়া গন্ধ পাই...! রাত যত বাড়ে, মন গন্ধটা তত হারে বাড়েতে থাকে । নিকোটিন আর অমৃত সুরা । তরল মেশে তরলে... ! শেষ ইচ্ছা তোমার সাথে শেষ বারের মত দেখা ! নদীর তিরে জোস্নার আলোয় সে রাতে আছড়ে পড়া ঢেউয়ের শব্দে আজো আমার ঘুম ভেঙ্গে যায় ! ভালো থাকুক পৃথিবীতে বেচেথাকা চাপা কান্নার হৃদয়ের মানুষ গুলী- তোমার সেই কবি আজো এভাবেই বেচে আছে, দরজার কপাটের মাঝে পিষে যাওয়া পতঙ্গের মত, চুর্ন্য-বিচুর্ন্য হৃদয় নিয়ে !

বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০১৭

হারিয়ে গেছ তুমি

#হারিয়ে_গেছ_তুমি সব হারিয়ে গেছে, আজকাল কেন জানি সব বাধন ছেড়ে তোমার কাছে চলে যেতে ইচ্ছে করে, আমার সকল ভাবনা, আজ স্তব্ধ, ....ইচ্ছে করে,সবকিছু পেছনে ফেলে আবার ফিরে যাই কৈশোরের সেই অম্লমধুর.... কাল বৈশাখের দিনে অথবা শীতের কোয়াশায় স্নান হয়ে যাওয়া ঘাসগুলির উপরে খালি পায়ে তোমায় নিয়ে ..

একটি নাম খুজে হয়রান ফেজবুকের পাতা

#মেয়েটি_আজো_জানেনা_তাকে_কেউ_খুজেই_চলেছে
আজো ফেজবুকের পাতায় তোমাকে খুজে হয়রান, প্রতিদিনি তোমার নামটি লিখি ফেসবুকের সার্চ বাটনে, বার বার সার্চ করি, তোমার নামটি ভেসে উঠে, কিন্তু কিন্তু হাজারো নামের ভিড়ে আসল তুমিকে খুজে পাইনা আমি, তোমার যত গুলো নাম আমার জানা তার সব কটা দিয়েই চলে আমার নিত্য সার্চ, আজো ঘুম ভেংগে গেছে, চলছে তোমাকে সার্চ! পাঠিয়েছি বন্ধু রিকুয়েস্ট প্রাই সব তোমার নামধারি মানুষ গুলোকে, তারাও বুঝি বেশ বিরক্ত! সাড়া না দিলে মেসেজ করি, তাকে তুমি ভেবে বার বার জানন্তে চাই, আমি যাকে খুজি সেই কি তুমি? হাজারো মেসেজে আজ ফেসবুকের পাতাটা জর্জরিত, তবুও থামেনা আসল তুমিকে সার্চ, একটি বার শুধু তোমাকে দেখতে চাওয়ার সাধ! সেই কথা টি একটি বার বলতে চাওয়া যেটি আজো আমার বলা হয়নি, যার জন্য প্রাই প্রতিরাতেই ঘুম ভেংগে যায়..... জ্যোৎস্না রাতকে কোয়াশা গ্রাস করে... কালো অন্ধকারে স্বপনেরা হারিয়ে যায়, প্রদিপের আলো হঠাৎ নিভে যায়... আমাবস্যা চলে আসে আমার ঘরে... অন্ধকারে নীল পরীকে হারিয়ে ফেলে ফেজবুকের পাতারা , ।।
-
জাহিদ
কল্পনার নীল পরী
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
ইমেইল: jahid1300@gmail.com
১৯/০২/২০১৭
মেহেরপুর

এক হারিয়ে যাওয়া নীল পরির গল্প

এক হারিয়ে যাওয়া নীল পরির গল্প:
মেয়েটি আজো লাল শাড়ি পরে এসেছে..
আমি বার বার তার রক্তচুক্ষকে অলিংগন করি শেষ কবে তার সাথে হেটেছি মনে পড়ে না
তবে তখন সে খুব ছোট,
আমার সকল ছাড়া তার সকাল হত না, এটা গল্প নয়, এই তো সেদিনের কথা । যা আমার স্মৃতির পাতায় এখনো সজিব হয়ে আছে... (!)
বেড়ে উঠার স্মৃতি।  আমার কৈশোরত্তীর্ণ বেলার স্মৃতি,  হারিয়ে ফেলার স্মৃতি।  যদিও আমি তার সবি জানি...  না এখন আর জানিনা......
সেদিন যখন তার পায়ে কাটা
ফুটেছিল, আমিই সেই ব্যাক্তি যে তার কাটা টিকে বের করে দিয়েছিলাম ?  স্পশের বাইরে রেখে সব সুন্দর ভাবে গুছিয়ে দিলাম।  আমি ছাড়া তার রাত হয় না......
এটা গল্প নয়।  হারিয়ে ফেল......যে বালিকার সাথে সকাল বিকেল বেলা, কত পুরানো নতুন গানের সাথে গাইতাম সারা বেলা....
তার পরে কেটে গেল ১ যুগ.... আমার সৃষ্টি আমার কাছ থেকে হারিয়ে গেছে, হঠাৎ চলার পথে কখনো সখনো দেখা হয়ে যায় আমার, কুষ্টিয়া শহরের পেয়ারাতলা.... বুকের বাম পাশটা কেমন মোচড় দিয়ে উঠে, চিনচিন করে উঠে....আবার ঠিক হয়ে যায়।

আমার এই অবেলায় তার লাল শাড়িটা বেশ অসহ্য লাগে।  কি দরকার লাল শাড়ি পরা? আজাও সে ঠিক মত শাড়ি গুছাতে পারেনা, পাশে থাকা ভদ্রলোক তার শাড়িটাকে বার বার গুছিয়ে দেয়,

ভদ্রলোক, সেই হাতটি ধরে  যেই হাতটি আমি প্রথম বার ধরে ছিলাম.......  আজকাল আমার স্নায়ুতন্র বড্ড বেয়াড়া, অল্পতেই চোখের কোনায় জলেরা উকিদেয়, আবেগি মন!  আবারো বুকের পাশটা চিন চিন করে....

কি দরকার আজো লালশাড়ি পরে আসার??
হৃদয়কে অবহেলা করে রক্ত।

নীল পরি কেন তার রংবদলালো?
সুনেছি ঋতুবদল হলে নাকি গিরগিটিও তার নিজ রং বদল করে, তবে তার সত্তাকে নয়, রং বদলাতেও সময় লাগে, কিন্তু নীল পরির মত এত অল্প সময়ে রং বদল করার নজিরহীন।
কেন? কেন সে জেনেও লাল শাড়ি টা পরে এলো?

আমি জানি, আবার শীতের পর বসন্ত আসবে, আমার মলিভিলা ছাত্রাবাসের ছাদ বেয়ে সাদা মেঘের ভেলা ভাসবে, আমি জানি কুয়াশা মুড়ে ফটিকদার দোকানে নীল পরি চা খাবে, শিউলী আপু রোজ পড়ে থাকবে আমার জানালার পাশে, শুধু আমি থাকবনা, সেই মলিভিলার কুষ্টিয়া শহরে, সাদা মেঘের ভেলাতেও আর নীল পরিকে ধরবনা, ফটিকদার দোকানে নীল পরির সাথে চা আর খায়া হবে না, ও সরি নীল পরি তো আজ নীল নেই....  লাল শাড়িতে তাকে বেশ মানাচ্ছে, তবে তার মাঝে আমি নীল কে খুজে ফিরছি..... কোথাও তার অস্তিত্ব নেই..... তার সাথে ফটিকদার দোকানে যায় ডান হাতটি ধরে..... আজো কি তার ডান হাতটি খালি থাকবে? .........?????
না থাকবে না
সাদা মেঘের ভালাই সে কি ভাসবে .....
না ভাসবে না.....
নীল পরীর রং আর নীল নেই
আসময়ের ঝড়ো হাওয়াতে ফেলেছি হারিয়ে নীল পরীকে
- সত্য ভেবে কেউ ভুল করবেন না  কল্পনার নীল পরি।

- জাহিদ
বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
ইমেইল: jahid1300@gmail.com
ঢাকা

রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৬

শিউলী আপুর সাথে প্রেম

রাতে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হয়েছে, আর সাথে হালকা বাতাস, আমার মাথার পাশের জানালাটি সকাল পর্যন্ত খোলাই ছিল তায় ঠাণ্ডা বাতাস প্রবেশ করতে দেরি হয়নি হেমান্তের । আমার লাগানো শিউলী গাছটি বেশ বড় হয়েগেছে । তায় তার ঝরে পড়া ফুলের আর মিষ্টি সুবাসে আজো আমাকে বিমুহিত করেছে । সুরুমিঠু পথের পাশে দূর্বাঘাস । ঘাসের সারা শরীর গুলো সকাল পর্যন্ত ছিল শিশির সিক্ত । তায় শিশির সিক্ত ঘাসে খালি পায়েও শিশির ছুয়েছি আমি দুর্বার কমল স্পর্শে । প্রস্ফুটিত ঝরে পড়া ফুল দেখে প্রানের সঞ্চয় ঘোটেছে সবার আগে- সাথে দোয়েল পাখির নিখুঁত সুরের শিল্পায়নেও মূর্ছনা জেগেছে আমার । যানি এখনো কুষ্টিয়া শহর বাসি গভির ঘুমে আচ্ছন্ন । ঘাসের উপরে শিউলী আপু অধির চোখে আমায় ডাকছে, আমি ঝুড়ি নিয়ে হাটছি শিউলী আপুর দিকে, সত্যিই আজ আমি শিউলী আপুর প্রেমে পড়ে গেছি - খুব সকালে । - জাহিদ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি 
ইমেইল: jahid1300@gmail.com

সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১৬

মায়ের বকুনি

২ ফুটা চোখের জলে মিশে থাকত হাজারো অভিমান, মায়ের বকুনিতে লুকিয়ে পড়তাম দেয়ালের ঐ পাড়টাতে যেখানে সহজে কারো চোখ পড়ত না । অপেক্ষা শুধু রাত আশা পর্যন্ত মা কখন আমায় খুজবে, ডাকবে আদর মাখা তার মুখ দিয়ে, খোকা কোথায় গেলি? আর এই আমিটা ফুপিয়ে ফুপিয়ে কেঁদে আমার অস্তিত্তটাকে প্রকাশ করব । বয়স বেশ ছোট ৬-৭ । কখন কবে যেন এই আমিটা ধীরে ধীরে ২৫ বছরের কৌঠাই পা দিয়েছি, বুঝিনি । বয়স বেড়েছে অভিমানের পাল্লাটাও ভারি হয়ে গেছে, তবে এখুন এই অভিমানের কোন মূল্যই নেই মায়ের কাছে, কারন শুধু বয়স। মায়ের হৃদয়টা আগের মত ভিজাতে পারিনা, বুকের মাঝে হাজারো কষ্ট থাকার পরেও মুখফাটিয়ে কাঁদতে পারিনা, এখনো মায়ের উপরে অভিমান করি তবে সেই রকম ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদতে পারিনা, বয়স বাড়ার কারনে আমাকে মা, থেকে আলাদা করে দিয়েছে, আলাদা করেছে দূরত্ব । সেই ছোটতে রাতে ভয়ংকর স্বপ্ন দেখলে ঘুম ভেঙ্গে যেত আর মায়ের কোলের মধ্য লুকিয়ে পড়তাম । আজো সেই রকমের অপ্রীতিকর স্বপ্ন দেখি তবে মায়ের সে কোল খুজে পাইনা ।ছোটতে আমার পছন্দের জিনিস গুলো মা বেশ ভাল করে যত্নে রেখে দিতেন । আর আমাকে আ,আ,ক,খ একটা দুইটা করে উচ্চারন, কথা শিখাতেন অথচ আজ আমি এত সুন্দর করে কোন কথা ব্যক্ত করলে মা’ আমার কথার পৃষ্ঠকে ক্ষত-বিক্ষত করে তুলে, আমি আহত হয়ে যায়, এই আমি বাকরুদ্ধ হয়ে যাই, এই আমি আমার আমিটাকে হারিয়ে ফেলেছি... কবে? কোথায় কখন কবে কোন তারা ঝরে গেল আকাশ কি মনে রাখে?

এক পশলা বৃষ্টি

গ্রীষ্মের মেঘ মেঘ আকাশ অনেক দিন দেখিনি এই খোলা চোখে,শেষ বিকেলে ঝকঝকে নীল আকাশে সাদা মেঘগুলো ভেসে বেড়ানো দেখি প্রতি দিন, আজো শেষ বিকেলে আগ পর্যন্ত সারাদিন উজ্জ্বল রোদ দেখেছি, সাথে ৪০ ডিগ্রী তাপমাত্রা। ক্লান্ত ময় জীবনে তপ্ত দুপুর পেরিয়ে বিকেলে এক পশলা বৃষ্টি স্বস্তি এনে দিল আজ। এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে। শৈশবের সেই অনুভূতিই যেন ফিরে পেয়েছি । শেষ বিকেলে এক পশলা বৃষ্টির পর চারপাশটা কেমন থমথমে করে দিল- শুরু হল ঝর ঝর বৃষ্টি শৈশবের সেই অনুভূতিই যেন ফিরে এল -

আজ আমার বাবার ৪র্থতম মৃত্যু বার্ষিকী


আজ আমার বাবার ৪র্থতম মৃত্যু বার্ষিকী,২০১২ সালের ঠিক এমন একটি দিনে সন্ধ্যা ৭:৪৫ মিনিটে বাবাকে হারাতে হয়েছে, রাজধানীর বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবা আমাদের ছেড়ে চলে যান, যেখানে একমাত্র আমি আর মা উপস্থিত ছিলাম, সেদিনেই বুঝেছি বাবাকে হারানোর শোকটা কতটা কষ্টের । এক দিকে বাবা চলে যাচ্ছে আমার সামনে দিয়ে, অন্য দিকে মাকে কারা যেন নিয়ে যাচ্ছে, আমি বাবার মাথার কাছে দাড়িয়ে ডাক্তার ডাক্তার বলে চিৎকার করছি, খুব কাছ থেকে দেখছি বাবার চলে যাওয়াটা, আমি পাথর হয়েগেছি অন্যদিকে মাকে ডেকে বলছি মা, বাবার কিছু হয়নি বাবা ঠিক আছে, তুমি কেদনা ! বিশ্বাস হচ্ছিল না আমার। সেই সময়টা মনে পড়লে দমবন্ধ হয়ে আসে । বাবাকে হারিয়ে আমি পাথর হয়ে গেছিলাম ।
আজ বাবার সাথে পথ চলার সময় গুলকে অনুভব করছি, চলার জীবনে বাবার ছায়াতেই বড় হয়েছি, বাবার ভালোবাসা, বাবার স্নেহ, বাবার আদর আজও আমার স্মৃতিতে সতেজ হয়ে ভাসে। আমার বাবা ছিলেন আমার আর্দশ। আজ বাবাকে আমার খুব প্রয়োজন ছিলো বাবার সাথে আমার অনেক কথা বলার ছিলো আমি বলতে পারিনি তাই মনের লুকানো কথাগুলো আজও কারো সাথে ভাগাবাগি করতে পারিনি। বাবার আর্দশ, বাবার সততা, বাবার নৈতিকতা আমার কাছে অতুলনীয়। যাদের বাবা আছে তারা জানেনা বাবার ছায়াটা কতটা তার সন্তানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ । বাবাহীন পৃথিবীটা বেশ অদ্ভুত ! যাদের বাবা নেই তারা কেবল জানেন বাবার অনুপুস্থিতিটা কেমন । এক সময় বাবার বুদ্ধিছাড়া কোন কাজেই সফল হওয়া যেতো না, আর আজ বাবাকে ছাড়া চলতে হচ্ছে প্রতিটা মুহূর্ত । বুদ্ধিহীন অবস্থায় চলতে হচ্ছে এই অচেনা জীবন শহরতলীতে। কিন্তু বাবার সেই স্মৃতি বাবার সেই উপদেশমূলক কথাগুলো আজও আমার অন্তরকে গভীরভাবে নাড়া দিয়ে যায়! যার আদর্শ আমাকে মানুষ হতে সাহায্য করছে। বেশ কিছু আশা,স্বপ্ন ,কাজ অপূর্ণ থেকে গেল আমার, সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন ।


- আবু জাহিদ মোঃ আবু জার গিফারী
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি 
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ - ঢাকা

সেই আমি আজ কেন এত অচেনা

জীবনটা কেমন যেন জলহীন নদীর মত বেয়ে চলে যাচ্ছে, যেখানে মায়া নেই, ভালোবাসা নেই, আনন্দ নেই, সর্বোপরি ব্যাস্ততায় (কিছু দিয়ে কিছু পাওয়া) একি নিয়ম? নিত্য কাছের মানুষ গুলোর পরিবর্তন অপেক্ষা করা আর তাদের আসতে আসতে দূরে চলে যাওয়া, ভাবি আজ, ভারি বর্ষা মুখুর দিনের মত এক দুর্যোগ ও সংকট ময় দিনেও আমার জীবন থেমে থাকেনা,ঠিকয়, রোজই হাটতে হয় পথ ও পথের সন্ধানে । পথ এগিয়ে দেবার ছায়াটকু কবেই মাথার উপর থেকে সরে গেছে, এখন আর ক্লান্ত আমাকে গ্রাস করতে পারেনা, অনুভতিও আমাকে থামাতে পারেনা । একি বিস্ময় কর এই জীবন...।

বুধবার, ১৭ জুন, ২০১৫

আমার মেঘলা আকাশে নেই আজ তারা, সারা আকাশ জূরে ভরে আছে একাকিত্তের নিরবতা, নিজে হারিয়ে গেছি কোন এক দূর অজানাতে,নির্মম বাস্তবতা জীবনে আমার, লক্ষে পিষ্টে আনাগোনার গল্পে, মেঘের আড়ালে ধুমকেতুর ন্যায় পরাজিত গল্পটা ভেসে চলেছে ধুসুর মেঘের ভেলায়, নীল পরি আর সাদা পরী সুনতে চাইনা বীভৎস এই আমার অপরাজিত গল্পটা । জীবনের শেষ শিরোনামের বলে বেচে আছি, আমি একা, বড়ই একা, শুধু তুমি ছাড়া...

বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০১৫

এক প্রতারক ক্লায়েন্টের কু- কর্মঃ

২০১৩ সালের শেষের দিকে । রাতে কয়েকটা জব আপ্পালাই করে ঘুমালাম । সকালে দুর্ভাগ্য বসত একটি কাজের রেপ্লাই আসলো । আমি সম্ভাবত এস,ই,ও কাজের জন্য আপ্পলায় করেছিলাম । রেপ্লাই আসার পর আমি ক্লায়েন্টের জব ডেসক্রিপশন ও পেমেন্ট ভেরিভাইড, ক্লায়েন্ট ইউ,কে দেখলাম । রেপ্লায় দিলাম এবং স্ক্যাইপি তে অ্যাড দিলাম। ক্লায়েন্ট আমাকে কোন ইন্টারভিউ না নিয়ে $0.01 কাজে হাইর করলেন । আমি বিষয় টি কিছু বুঝলাম না । এস,ই,ও কাজ অ্যাপ্লাই করলাম আওয়ারলি কিন্তু হাইর করল ফিক্সড?? আবার এত কম রেট??যাহোক ক্লায়েন্টকে আমি বললাম কাহিনি কি? সে আমাকে বললেন, আমি ইঊকে থাকি, আমার বিজনেস আসে, দুর্ভাগ্য বসত আমার এস,ই,ও কাজটি আমি অন্য জনকে দিয়ে দিয়েছি, তাই দুঃখিত । তবে আমার কাছে অন্য কাজ আছে আপনি চাইলে আমার সাথে লং টাইমের জন্য কাজ করতে পারতেন । আমি বললাম এখন, কি কাজ করতে হবে? ক্লায়েন্ট বললেন তেমন কঠিন কাজ নই, মুলুত আমি আপনার PC টিম ভিয়ার দিয়ে ব্যাবহার করব, আর আপনি পাবেন প্রতি ঘন্টা $3 করে। আমি জিজ্ঞেস করলাম কোন সমস্যা হবে নাত? ক্লায়েন্ট বললেন না । সে আমাকে $0.01 বাজেটে হাইর করে ১০ মিন কাজ করলেন ,আর বললেন ১ ঘন্টা হলে $3 পে করব কিন্তু আজকে ১০ মিন ব্যাবহার করলাম বাকি রইল ৫০ মিন । যাহোক ক্লায়েন্ট আমার PC ব্যাবহার করে তার অডেস্ক আই,ডি ওপেন করলেন আর সবাইকে ঠিক এমন কথাই বললেন যা আমকে বলা হয়েছিল , যে এই কাজ টি আপাতত আমার কাছে নাই অন্য কাজ আছে আপনি চাইলেই করতে পারেন । এবং সে সবার পিছি টিম ভিয়ার দিয়ে ১০ মিন করে ব্যাবহার করতেন আর মাস্টার কার্ড, অ্যামাজন, নেটলার জাতীয় অ্যাকাউন্ট তৈরি করতেন । আর পরে ১ ঘন্টাও হতনা আর পেও করারও প্রয়োজন হত না কাউকে। বেসিকালি ক্লায়েন্ট এক মহা ঠক বাজ, ভন্ড আর প্রতারক । কারন সে আমাদের বাংলাদেশের সহজ সরল ফ্রীলান্সারদের আইপি আর কম্পিউটার ব্যাবহার করে ফাইদা লুটতে চাই । তাই ফন্দি বের করেছিলেন । ৬ মাস কেটে যাবার পরে অনি আমাকে আবারও নক করলেন । আমি সাড়া দিলাম, অনি বললেন আপনার জন্য নতুন কাজ আছে আপনি কি করবেন? (Hello, You have new job, would you like to do this?) আমি বললাম কি? ক্লায়েন্ট বলল ইমেইজ এডিটিং আমি বললাম আমি এটা জানি না প্রফেশনালি সে বললেন আমি আপনাকে দেখিয়ে দেব । পরে ওনার সাথে বেশ ভালো সম্পর্ক হল ,সে আমাকে গোলাম রাব্বি নামে এক ভদ্র লোকের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন অনি ইমেইজ এডিটিং এক্সপার্ট । পরে জানলাম ক্লায়েন্টের দাদার বাসা বাংলাদেশের সিলেটে তার নাম মহাম্মাদ শাহ্‌ কিন্তু কখনো সিলেটে আসেন নি সামান্য দেশ প্রেমও তার ভিতরে নেই । ইউ,কে তেই সেটেল । যাহোক আমি ওনার সাথে কাজ শুরু করলাম । কয়েক দিন কাজ করার পরে আমার ফোন নাম্বার চাইল আমি দিলাম । কখনো গুরুত্ত পূর্ণ বিষয় হলে আমাকে ফোন দিতেন । আসলে ওনার কাজের কাজ কিছুই ছিলনা, সমস্ত ২ নাম্বারি কাজ করে বিজনেস করত । এমন কি সে বাংলাদেশের ন্যাশনাল আইডি কাড বাই করত আর সেগুলো দিয়ে বিভিন্ন আপত্তি কর একাউন্ট তৈরি করত প্রয়োজন মত । অবশ্য এর জন্য আইডি কার্ডের মালিককেও কিছু পে করত সে । প্রয়োজনে এডিট করেও কাজ চালাত এই ভন্ড প্রতারক ক্লায়েন্ট । ২ মাসে আমার সাথে ওনার কাজের লেনদেন যা হয়েছিল তার ৩ এর ১ ভাগ আমাকে দিয়েছিল এবং বলেছিল আপনি কাজ কজরতে থাকেন আমি দেব । একদিন আমাকে বলল আপনি জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারেন আমি বললাম এটা আবার এমন কঠিন কি? অনি বলেন আমার ৫০০ জিমেইল আইডি লাগবে । আপনাকে আমি ভালো পে করব । আমার স্টুডেন্ট দের সাথে কথা বলে কাজ টি নিলাম । ১ মাস পরে ওনাকে আমি জিমেইল গুলো দিলাম আর পেমেন্ট চাইলাম । অবশ্য আমার স্টুডেন্ট এর কাছ থেকে মেইল গুলো নিয়ে ক্লায়েন্টকে দেবার আগে আমি নিজ থেকেই পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করেছিলাম । যাহোক সে আমাকে বললেন আমি ৫ দিন পরে পে করছি । বলে ৭ দিন পর আমাকে বলে মেইল গুলো কাজ হচ্ছে না । আমিতো অবাক হলাম ! মানে কি? পরে আমিও ট্রাই করলাম দেখি ৪ দিন আগে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন হয়েছে । ক্লায়েন্ট আমার ছেলেদের কে জানতে বললেন যে তারা পরিবর্তন করেছেন কিনা? আমি বললাম তারা কেউ করে নাই । ওনি বললেন তাহলে আমি করেছি? আমি বললাম জানিনা । আমি ক্লায়েন্টকে জিজ্ঞেস করলাম আপনি কি কাউকে মেইল গুলো দিয়েছেন?ওনি বললেন না । যাহোক পরে ওনি বললেন আপনার ২০০ টার মত মেইল ভালো আছে আমি এটার জন্য পে করছি । তার পরে আমার অডেস্কে সে পে করেছিলেন । তার পরে আমি ওনার সাথে কাজ করা বন্ধ করে দেই...এবং আমার কাছে ব্যাকআপ থাকা সকল মেইল ডিলিট করে দেই... এখানেই শেষ হলে পারত । ১ মাস পরে সে আমাকে আবারো ফোন করেন এবং আমাকে বলে আপনি মেইলের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করেছেন কেন?আমি বললাম আমি করিনি । সে আমার সাথে খারাপ ব্যাবহাসে শুরু করলেন বললেন আমার মেইল গুলা দিয়ে আমি নেটলার , মাস্টার কার্ড এবং অ্যামাজনের অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছিলাম সেখান থেকে আমার ৫০০০ ডলার চুরি হয়েছে, আপনি আমাকে টাকা ফিরত দেন নাহলে আমি আপনার বিরুদ্ধে পোস্টার পাবলিশ করব, পুলিশ কেচ করব,সরকার কে জানাব আপনার বাসাই পোস্টার পাঠাবো ইত্তাদি । আসলে সে মানুষের সাথে এমন প্রতারনা করে অর্থ উপার্জন করে আসছেন, এবং মানুষকে বিপদে ফেলে এমন কাজটিই তিনি করে থাকেন । আগে সে আপ্পলাই কারিকে অডেস্কে হাইর করে, তার পরে তার সম্পর্কে খুয়াতি-নাটি সব জেনে বুঝে এমন এক ফাদ নিজে তৈরি করে জাতে করে তাকে উল্টা পে করা লাগে । আমাকে আপনাকে বিপদে ফেলে টাকা উপার্জন করতে চাই এই মুখুস ধারি ক্লায়েন্ট (শাহ্‌)। আমি তার বিরুদ্ধে কোঠর প্রতিবাদ জানিয়ে ছিলাম । তার বিরুদ্ধে থানায় ডায়েরি করেছিলাম । কিন্তু তার আংশিক ঠিকানা থাকায় ফুল অ্যাকশান নেওয়া সম্ভব হইনি । তারপর আমার বিরুদ্ধে কুৎসিত আরটিক্যাল লিখেলেন আর বললেন আমি আপনার বিরুদ্ধে নিউজ পেপারে আরটিক্যাল পাবলিশ করাব , কারন দুর্ভাগ্য বসত বাংলাদেশে সম্পাদকেদের বেশি করে টাকা দিলেই তারা সত্য-মিথ্যা না যাচায় করে ছেপে দেয়... তার কাগজের পাতায় । যেমন টা আমাকে ফেইচ হতে হয়েছিল পরে আমাকে সে বিভিন্ন ভাবে মানুষিক টর্চার করে । বাংলাদেশের এবং আমার ছিটির এক তরুনকে হাইর করে কিছু পয়সা কড়ি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে পস্টারিং করান । মুলত সে ছিলেন ঠক বাজ ভণ্ড ও প্রতারক ক্লায়েন্ট । অডেস্ক এ জব পোস্ট করেন, এস,ই ও, ওয়েব ডেজাইন, আইটি সেক্টর আর পরে সবাইকে এমন ভাবে ব্যাবহার করেন আর তাদের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করেন । তাদের পিছি, আর আইপি এড্রেস ব্যাবহার করে । প্রয়োজনে তার কম্পিউটারে থাকা গুরুত্তপূর্ণ ডকুমেন্ট আত্মসাৎ করে টাকাম পয়সার দাবি করে থাকেন ।বাংলাদেশের সাধারন মানুষদের কাছ থেকে ন্যাশনাল আইডি নিয়ে বিভিন্ন ক্লেইম করে আইডি কাডের ডাটা পরিবর্তন করে সেই নিরীহ, সাধারন ব্যাক্তিদের বিপদে ফেলাতে পারেন খুব সহজে ।স-ভাগ্য বসত কাহিনি শেষ হবার পরে গোলাপ রাব্বির সাথে আমার কথা হয়েছিল, জানতে পেরেছি তাকে দিয়ে সেই ইমেইল গুলার কাজ করিয়ে নিয়েছিলেন । এবং আমাকে ক্লায়েন্ট বলেছিলান পাসওয়ার্ড আপনি পরিবর্তন করেছেন । মূলত গোলাম রাব্বি এবং আনন্দ নামের এক ব্যাক্তির দ্বারা কালায়েন্ট ই- মেইল গুলার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করিয়ে
ছিলেন । এবং গোলাপ রাব্বিকেউ ঠিক আকই ভাবে বিপদে ফেলানর চেষ্টা করেছিলেন । এবং তার নামেও কুৎসিত আরটিক্যাল পোষ্ট করেছেন অনলাইন পত্রিকাতে । এবং টাকা দিয়ে সম্পাদকদের কিনে নিয়ে তাদের সাইটে উলটা পালটা আপত্তি কর আরটিক্যাল ছাপানো হয় । তার নমুনা স্বরূপ কিছু সাইটের লিঙ্ক দিলাম ।
http://www.eurobdnews.com/bangladeshi-local-n…/…/12/13/90444
http://www.coxsbazarnews.com/
 সবাইকে সাবধানের জন্য প্রতারক, ভণ্ড ক্লায়েন্টের স্কাইপি আইডি দেওয়া হল (odesk.as4)
পরিশেষে এমন ক্লায়েন্টের কাছ থেকে দূরে থাকুন সবায়, ধন্যবাদ

বৃহস্পতিবার, ১২ জুন, ২০১৪

আমি হব সকাল বেলার পাখি


আমি হব সকাল বেলার পাখি
সবার আগে কুসুম বাগে
উঠব আমি ডাকি।
"সুয্যি মামা জাগার আগে
উঠব আমি জেগে,
'হয়নি সকাল, ঘুমোও এখন',
মা বলবেন রেগে।


বলব আমি- 'আলসে মেয়ে
ঘুমিয়ে তুমি থাক,
হয়নি সকাল, তাই বলে কি
সকাল হবে নাক'?

আমরা যদি না জাগি মা
কেমনে সকাল হবে ?
তোমার ছেলে উঠবে মা গো
রাত পোহাবে তবে।

আমার যাবার সময় হল দাও বিদায়

আমার যাবার সময় হল দাও বিদায়
মোছ আঁখি দুয়ার খোল দাও বিদায়।।
ফোটে যে ফুল আঁধার রাতে
ঝরে ধুলায় ভোর বেলাতে।।
আমায় তারা ডাকে সাথী
আয়রে আয়  
সজল করুন আঁখি তোলো  দাও বিদায়
অন্ধকারে এসেছিলাম
থাকতে আঁধার যাই চলে
ক্ষনেক ভালবেসেছিলে চিরকালের নাই হলে
হল চেনা হল দেখা
নয়ন জলে রইল লেখা
দর বিরহী ডাকে কেকা বরষায়
ফাগুন স্বপন ভোলো ভোলো দাও বিদায়।।

মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০১৩

উৎসর্গ


আকাশ জুড়ে বৃষ্টি আর বৃষ্টি ভেজা মন,
মন বলে ভাল থাকুক আমার আপন জন।
নীল রঙ্গের আকাশ এখন মেঘে ঢাকা কালো
আমি আছি ভালো, বন্ধু তুমি কেমন আছো ?
সারাক্ষন ভালো থেকো ভালবাসা মনে রেখ,
দিনের বেলায় হাসি মুখে,
রাতের বেলায় অনেক সুখে......
নানা রঙের স্বপ্ন দেখ, স্বপ্নের মাঝে আমায় রেখ......

শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

যখন পরবেনা মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে...



যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে,
আমি    বাইব না মোর খেয়াতরী এই ঘাটে, চুকিয়ে দেব বেচা কেনা, মিটিয়ে দেব গো, মিটিয়ে দেব লেনা দেনা, বন্ধ হবে আনাগোনা এই হাটে--তখন আমায় নাইবা মনে রাখলে,তারার পানে চেয়ে চেয়ে নাইবা আমায় ডাকলে।
   
যখন    জমবে ধুলা তানপুরাটার তারগুলায়,কাঁটালতা উঠবে ঘরের দ্বারগুলায়,   আহা,
ফুলের বাগান ঘন ঘাসের   পরবে সজ্জা বনবাসের, শ্যাওলা এসে ঘিরবে দিঘির ধারগুলায়--তখন আমায় নাইবা মনে রাখলে,তারার পানে চেয়ে চেয়ে নাইবা আমায় ডাকলে। তখন   এমনি করেই বাজবে বাঁশি এই নাটে,কাটবে দিন কাটবে,কাটবে গো দিন আজও যেমন দিন কাটে,    আহা,ঘাটে ঘাটে খেয়ার তরী   এমনি সে দিন উঠবে ভরি-চরবে গোরু খেলবে রাখাল ওই মাঠে। তখন আমায় নাইবা মনে রাখলে, তারার পানে চেয়ে চেয়ে নাইবা আমায় ডাকলে।
   
তখন   কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি। সকল খেলায় করবে খেলা এই আমি-- আহা, নতুন নামে ডাকবে মোরে,   বাঁধবে নতুন বাহু-ডোরে, আসব যাব চিরদিনের সেই আমি। তখন আমায় নাইবা মনে রাখলে,তারার পানে চেয়ে চেয়ে নাইবা আমায় ডাকলে॥

শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০১৩

যখন আমি ছোট ছিলাম

ছেলেবেলায় ভাবতাম চাঁদটা বুঝি আমার সাথে সাথে যাচ্ছে। বন্ধুদের সাথে মারপিট করার সময় মুখ দিয়ে টিগিস,টিগিস ইয়ালি বিডিমস, ইত্যাদি শব্দ করতাম। ক্রিকেট খেলার সময় সবার আগে ব্যাট করতে চাইতাম, যদি আউট হয়ে যাই , তাহলে নতুন করে আবার ব্যাট করার জন্য আবেদন করতাম। ফল খেতে গিয়ে ফলের বিচি খেলে ফেললে ভাবতাম, পেটের ভিতর বুঝি গাছ বেরুবে।শান পাপড়ি,তালের খাজা, মালাই বরফ বা বাদাম ভাজা জাতীয় কিছু আসলে মাথা হাং হয়ে যেত। প্লেন বা হেলিকাপ্টারের আওয়াজ শুনে সেটা দেখার জন্য আকাশ পানে চেয়ে রইতাম। গোসল করিয়ে দেবার সময় মুখে সাবান দিতে দিতাম না চোখ জ্বলার ভয়ে। স্কুলে যাবার সময় কলমের হেড চাবাতে কতইনা ভাল লাগত।
যখন পড়াশুনা করতাম না তখন আমার বাবা মাঠে গরুর ঘাস কাটতে জাবার কথা বলতেন।

আমি জানিনা পথ ও পথের দূরত্ব , জানিনা বরফ ঢাকা নদীর ঘনত্ব, শুধু এতুতুকু জানি, গন্তব্বের স্থান যত দুরেই হোক দিতে হবে পাড়ি।

শনিবার, ২৯ জুন, ২০১৩

খোকা কি আসবে?


“কুমড়ো ফুলে ফুলেনুয়ে পরেছে লতাটা,
সজনে ডাঁটায়ভরে গেছে গাছটা,
আর আমি ডালের বড়ি শুকিয়ে রেখেছি,
খোকা তুই কবে আসবি ?
কবে ছুটি?”
চিঠিটা তার পকেটে ছিল,ছেঁড়া আর রক্তে ভেজা।

“মাগো, ওরা বলে সবার কথা কেড়ে নেবে।
তোমার কোলে শুয়ে,গল্প শুনতে দেবে না।
বলো, মা,তাই কি হয়?
তাইতো আমার দেরি হচ্ছে।
তোমার জন্যে কথার ঝুরি নিয়ে
তবেই না বাড়ি ফিরবো।

ল‍হ্মী মা,রাগ ক’রো না,
মাত্রতো আর ক’টা দিন।”
“পাগল ছেলে,”মা পড়ে আর হাসে,
“তোর ওপরে রাগ ক’রতে পারি !”
নারিকেলের চিড়ে কোটে,উড়কি ধানের মুড়কি ভাজে,
এটা-সেটা,আর কত কী !
তার খোকা যে বাড়ি ফিরবে 
ক্লান্ত খোকা।
কুমড়ো ফুল শুকিয়ে গেছে,
ঝ'রে পড়েছে ডাঁটা,পুঁই লতাটা নেতানো
“খোকা এলি ?”
ঝাপসা চোখে মা তাকায়
উঠানে উঠানে যেখানে খোকার শব
শকুনীরা ব্যবচ্ছেদ করে।

এখন
মা’র চোখে চৈত্রের রোদ,পুরিয়ে দেয় শকুনীদের।
তারপর
দাওয়ায় ব’সে মা আবার ধান ভানে,
বিন্নি ধানের খই ভাজে,
খোকা তার কখন আসে কখন আসে!

এখন
মা’র চোখে শিশির-ভোর
স্নেহের রোদে ভিটে ভ’রেছে।

শুক্রবার, ২৮ জুন, ২০১৩

এক পকেটমার এর গল্প

                     বাস থেকে নেমে পকেটে হাত দিয়ে সাথে সাথে শক খেলাম ..


আমার পকেটমার হয়ে গেছে.!! পকেটে ছিলই বা কি? সব মিলিয়ে ২০০ টাকা!! আর
একটা চিঠি যা আমি মাকে লিখেছিলাম যে আমার চাকরি চলে গেছে এখন টাকা পাঠাতে পারবনা। সেই পোস্টকার্ড নিয়ে ঘুরছিলাম কিন্তু কেন যেন পাঠাতে ইচ্ছা করছিলোনা!!

এমনিতে তো ২০০ টাকা খুব বেশি টাকা না কিন্তু যার চাকরি চলে গেছে তার কাছে একটু বেশিই!!

কিছুদিন পর মার একটা চিঠি পেলাম!! নিশ্চয় টাকা পাঠানোর জন্য হবে!! কিন্তু চিঠি পড়ে আমি একটা ধাক্কা খেলাম মা লিখেছে "বাবা তুই যে ৫০০ টাকার মানিঅর্ডার পাঠাইছিস সেটা পাইছি!!" আমি চিন্তা করতে লাগলাম এই মানিঅর্ডার কে করলো??

কিছুদিন পর আমি আরেকটা চিঠি পেলাম। খুব খারাপ হাতের লিখা ছিল অনেক কষ্টে পড়লাম।

ওটাতে লিখা ছিলঃ
.
.
.
- ভাই, ২০০ টাকা তোমার আর ৩০০ টাকা আমার মিলিয়ে তোমার মাকে মানিঅর্ডার করে দিছি! চিন্তা করো না! মা তো সবারই এক রকমই হয় তাই না?? সে কেন না খেয়ে থাকবে?

ইতি-
তোমার পকেটমার ভাই

শুক্রবার, ২১ জুন, ২০১৩

যখন আমি থাকবনা -


আজ আমি আর নেই
                                 

একদিন ছিল মোর এ বাড়ী
আজ তোমরা করছ কাড়াকাড়ি
খুব কষ্ট করে জমিয়ে ছিলাম ধনরত্ন

সেজন্য গহীন বনে রেখেছ আমাই মুক্ত
তোমাদের কাছে চাওয়ার কী আছে?
তোমরা তো এখন সেজেছ রাঙ্গা সাজে
একটি মানুষ তোমাদের মাঝে না থাকলে কি জাই আসে?
হাজার মানুষ পেয়েছ তোমাদের পাশে
আমার বুকটা  ভরিয়ে গেছে ঘাসে !
তোমরা সবাই থেক আলোর পাসে
আমি তোমাদের দেখব পাথর চোখে
কোন এক সন্ধ্যা তারা হয়ে।

অন- লাইনে পথ চলা


এশিয়ান স্পেশালাইজড এডুকেশন গ্রুপ এ কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে আছি । কম্পিউটারের সাথে আমার পরিচয় ছোটবেলায়, সেই ২০০২ সাল থেকে। নিজের কম্পিউটার হয় ২০০৮ সালে। অনলাইনের সুন্দর জগতের সাথে পথচলা ২০১০ সাল থেকে। আমি স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি কিন্তু স্বপ্ন পূরনের জন্য কষ্ট করতে পারি না। প্রতিদিন ভাবি আজকের দিনটা অনেক সুন্দর হবে, অনেক অনেক ভাল কাজ করব। কিন্তু অনলাইনের অলিগলিতে ঘুরতে ঘুরতে সময় বয়ে চলে-আমার আর কাজ করা হয় না। প্রতিদিন বিদ্ধস্থ মন নিয়ে ঘুমাতে যাই আর ভাবী কালকের ভোরটি হবে আজকের চেয়ে অনেক বেশী সুন্দর। কিন্তু তা যে হবার নয়.....প্রচন্ড হতাশার মাঝে বসবাস করেও কেন যেন এই দেশটিকে বড্ড বেশি ভালবাসি। ভাললাগে আমার দেশের দরিদ্র, কষ্টসহিষনু খেটে খাওয়া মানুষগুলোকে, অবাক হয়ে ভাবি এত না পাওয়ার মাঝেও এই মানুষগুলো কেন এত খুশি...খুব বেশি কষ্ট পাই রাস্তার দুধারে পরে থাকা দরিদ্র মানুশগুলোর মানবেতর জীবন দেখে। ইচ্ছে করে এদের জন্য কিছু করি। কিন্তু করা হয় না। সীমিত ক্ষমতার খুব সাধারন একজন এই আমি...আমার প্রতিটি দিন শুরু হয় অনলাইনে আয়ের চিন্তা দিয়ে শেষ হয় পরবর্তী দিনের পরিকল্পনা মাথায় নিয়ে। স্বপ্ন দেখি একজন ফুল টাইম ব্লগার তথা অনলাইন মার্কেটার হোব, সাচ্ছন্দে চলার মতো আয় করব অনলাইন থেকে। জানি না স্বপ্নের কতোটা কাছাকাছি যেতে পারব কিন্তু চেষ্টা করে যাব, অনেকের মতো মাঝপথে ঝড়ে পরব না...আশা করি সাফল্য আসবেই আসবে...আপনাদের সবার জন্য রইল আন্তরিক শুভকামনা...

আবু জার গিফারী - জাহিদ
সাউথ এশিয়ান স্পেশালাইজড এডুকেশন গ্রুপ
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
কুষ্টিয়া ।