Facebook

সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১৬

সেই আমি আজ কেন এত অচেনা

জীবনটা কেমন যেন জলহীন নদীর মত বেয়ে চলে যাচ্ছে, যেখানে মায়া নেই, ভালোবাসা নেই, আনন্দ নেই, সর্বোপরি ব্যাস্ততায় (কিছু দিয়ে কিছু পাওয়া) একি নিয়ম? নিত্য কাছের মানুষ গুলোর পরিবর্তন অপেক্ষা করা আর তাদের আসতে আসতে দূরে চলে যাওয়া, ভাবি আজ, ভারি বর্ষা মুখুর দিনের মত এক দুর্যোগ ও সংকট ময় দিনেও আমার জীবন থেমে থাকেনা,ঠিকয়, রোজই হাটতে হয় পথ ও পথের সন্ধানে । পথ এগিয়ে দেবার ছায়াটকু কবেই মাথার উপর থেকে সরে গেছে, এখন আর ক্লান্ত আমাকে গ্রাস করতে পারেনা, অনুভতিও আমাকে থামাতে পারেনা । একি বিস্ময় কর এই জীবন...।

বুধবার, ১৭ জুন, ২০১৫

আমার মেঘলা আকাশে নেই আজ তারা, সারা আকাশ জূরে ভরে আছে একাকিত্তের নিরবতা, নিজে হারিয়ে গেছি কোন এক দূর অজানাতে,নির্মম বাস্তবতা জীবনে আমার, লক্ষে পিষ্টে আনাগোনার গল্পে, মেঘের আড়ালে ধুমকেতুর ন্যায় পরাজিত গল্পটা ভেসে চলেছে ধুসুর মেঘের ভেলায়, নীল পরি আর সাদা পরী সুনতে চাইনা বীভৎস এই আমার অপরাজিত গল্পটা । জীবনের শেষ শিরোনামের বলে বেচে আছি, আমি একা, বড়ই একা, শুধু তুমি ছাড়া...

বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০১৫

এক প্রতারক ক্লায়েন্টের কু- কর্মঃ

২০১৩ সালের শেষের দিকে । রাতে কয়েকটা জব আপ্পালাই করে ঘুমালাম । সকালে দুর্ভাগ্য বসত একটি কাজের রেপ্লাই আসলো । আমি সম্ভাবত এস,ই,ও কাজের জন্য আপ্পলায় করেছিলাম । রেপ্লাই আসার পর আমি ক্লায়েন্টের জব ডেসক্রিপশন ও পেমেন্ট ভেরিভাইড, ক্লায়েন্ট ইউ,কে দেখলাম । রেপ্লায় দিলাম এবং স্ক্যাইপি তে অ্যাড দিলাম। ক্লায়েন্ট আমাকে কোন ইন্টারভিউ না নিয়ে $0.01 কাজে হাইর করলেন । আমি বিষয় টি কিছু বুঝলাম না । এস,ই,ও কাজ অ্যাপ্লাই করলাম আওয়ারলি কিন্তু হাইর করল ফিক্সড?? আবার এত কম রেট??যাহোক ক্লায়েন্টকে আমি বললাম কাহিনি কি? সে আমাকে বললেন, আমি ইঊকে থাকি, আমার বিজনেস আসে, দুর্ভাগ্য বসত আমার এস,ই,ও কাজটি আমি অন্য জনকে দিয়ে দিয়েছি, তাই দুঃখিত । তবে আমার কাছে অন্য কাজ আছে আপনি চাইলে আমার সাথে লং টাইমের জন্য কাজ করতে পারতেন । আমি বললাম এখন, কি কাজ করতে হবে? ক্লায়েন্ট বললেন তেমন কঠিন কাজ নই, মুলুত আমি আপনার PC টিম ভিয়ার দিয়ে ব্যাবহার করব, আর আপনি পাবেন প্রতি ঘন্টা $3 করে। আমি জিজ্ঞেস করলাম কোন সমস্যা হবে নাত? ক্লায়েন্ট বললেন না । সে আমাকে $0.01 বাজেটে হাইর করে ১০ মিন কাজ করলেন ,আর বললেন ১ ঘন্টা হলে $3 পে করব কিন্তু আজকে ১০ মিন ব্যাবহার করলাম বাকি রইল ৫০ মিন । যাহোক ক্লায়েন্ট আমার PC ব্যাবহার করে তার অডেস্ক আই,ডি ওপেন করলেন আর সবাইকে ঠিক এমন কথাই বললেন যা আমকে বলা হয়েছিল , যে এই কাজ টি আপাতত আমার কাছে নাই অন্য কাজ আছে আপনি চাইলেই করতে পারেন । এবং সে সবার পিছি টিম ভিয়ার দিয়ে ১০ মিন করে ব্যাবহার করতেন আর মাস্টার কার্ড, অ্যামাজন, নেটলার জাতীয় অ্যাকাউন্ট তৈরি করতেন । আর পরে ১ ঘন্টাও হতনা আর পেও করারও প্রয়োজন হত না কাউকে। বেসিকালি ক্লায়েন্ট এক মহা ঠক বাজ, ভন্ড আর প্রতারক । কারন সে আমাদের বাংলাদেশের সহজ সরল ফ্রীলান্সারদের আইপি আর কম্পিউটার ব্যাবহার করে ফাইদা লুটতে চাই । তাই ফন্দি বের করেছিলেন । ৬ মাস কেটে যাবার পরে অনি আমাকে আবারও নক করলেন । আমি সাড়া দিলাম, অনি বললেন আপনার জন্য নতুন কাজ আছে আপনি কি করবেন? (Hello, You have new job, would you like to do this?) আমি বললাম কি? ক্লায়েন্ট বলল ইমেইজ এডিটিং আমি বললাম আমি এটা জানি না প্রফেশনালি সে বললেন আমি আপনাকে দেখিয়ে দেব । পরে ওনার সাথে বেশ ভালো সম্পর্ক হল ,সে আমাকে গোলাম রাব্বি নামে এক ভদ্র লোকের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন অনি ইমেইজ এডিটিং এক্সপার্ট । পরে জানলাম ক্লায়েন্টের দাদার বাসা বাংলাদেশের সিলেটে তার নাম মহাম্মাদ শাহ্‌ কিন্তু কখনো সিলেটে আসেন নি সামান্য দেশ প্রেমও তার ভিতরে নেই । ইউ,কে তেই সেটেল । যাহোক আমি ওনার সাথে কাজ শুরু করলাম । কয়েক দিন কাজ করার পরে আমার ফোন নাম্বার চাইল আমি দিলাম । কখনো গুরুত্ত পূর্ণ বিষয় হলে আমাকে ফোন দিতেন । আসলে ওনার কাজের কাজ কিছুই ছিলনা, সমস্ত ২ নাম্বারি কাজ করে বিজনেস করত । এমন কি সে বাংলাদেশের ন্যাশনাল আইডি কাড বাই করত আর সেগুলো দিয়ে বিভিন্ন আপত্তি কর একাউন্ট তৈরি করত প্রয়োজন মত । অবশ্য এর জন্য আইডি কার্ডের মালিককেও কিছু পে করত সে । প্রয়োজনে এডিট করেও কাজ চালাত এই ভন্ড প্রতারক ক্লায়েন্ট । ২ মাসে আমার সাথে ওনার কাজের লেনদেন যা হয়েছিল তার ৩ এর ১ ভাগ আমাকে দিয়েছিল এবং বলেছিল আপনি কাজ কজরতে থাকেন আমি দেব । একদিন আমাকে বলল আপনি জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারেন আমি বললাম এটা আবার এমন কঠিন কি? অনি বলেন আমার ৫০০ জিমেইল আইডি লাগবে । আপনাকে আমি ভালো পে করব । আমার স্টুডেন্ট দের সাথে কথা বলে কাজ টি নিলাম । ১ মাস পরে ওনাকে আমি জিমেইল গুলো দিলাম আর পেমেন্ট চাইলাম । অবশ্য আমার স্টুডেন্ট এর কাছ থেকে মেইল গুলো নিয়ে ক্লায়েন্টকে দেবার আগে আমি নিজ থেকেই পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করেছিলাম । যাহোক সে আমাকে বললেন আমি ৫ দিন পরে পে করছি । বলে ৭ দিন পর আমাকে বলে মেইল গুলো কাজ হচ্ছে না । আমিতো অবাক হলাম ! মানে কি? পরে আমিও ট্রাই করলাম দেখি ৪ দিন আগে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন হয়েছে । ক্লায়েন্ট আমার ছেলেদের কে জানতে বললেন যে তারা পরিবর্তন করেছেন কিনা? আমি বললাম তারা কেউ করে নাই । ওনি বললেন তাহলে আমি করেছি? আমি বললাম জানিনা । আমি ক্লায়েন্টকে জিজ্ঞেস করলাম আপনি কি কাউকে মেইল গুলো দিয়েছেন?ওনি বললেন না । যাহোক পরে ওনি বললেন আপনার ২০০ টার মত মেইল ভালো আছে আমি এটার জন্য পে করছি । তার পরে আমার অডেস্কে সে পে করেছিলেন । তার পরে আমি ওনার সাথে কাজ করা বন্ধ করে দেই...এবং আমার কাছে ব্যাকআপ থাকা সকল মেইল ডিলিট করে দেই... এখানেই শেষ হলে পারত । ১ মাস পরে সে আমাকে আবারো ফোন করেন এবং আমাকে বলে আপনি মেইলের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করেছেন কেন?আমি বললাম আমি করিনি । সে আমার সাথে খারাপ ব্যাবহাসে শুরু করলেন বললেন আমার মেইল গুলা দিয়ে আমি নেটলার , মাস্টার কার্ড এবং অ্যামাজনের অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছিলাম সেখান থেকে আমার ৫০০০ ডলার চুরি হয়েছে, আপনি আমাকে টাকা ফিরত দেন নাহলে আমি আপনার বিরুদ্ধে পোস্টার পাবলিশ করব, পুলিশ কেচ করব,সরকার কে জানাব আপনার বাসাই পোস্টার পাঠাবো ইত্তাদি । আসলে সে মানুষের সাথে এমন প্রতারনা করে অর্থ উপার্জন করে আসছেন, এবং মানুষকে বিপদে ফেলে এমন কাজটিই তিনি করে থাকেন । আগে সে আপ্পলাই কারিকে অডেস্কে হাইর করে, তার পরে তার সম্পর্কে খুয়াতি-নাটি সব জেনে বুঝে এমন এক ফাদ নিজে তৈরি করে জাতে করে তাকে উল্টা পে করা লাগে । আমাকে আপনাকে বিপদে ফেলে টাকা উপার্জন করতে চাই এই মুখুস ধারি ক্লায়েন্ট (শাহ্‌)। আমি তার বিরুদ্ধে কোঠর প্রতিবাদ জানিয়ে ছিলাম । তার বিরুদ্ধে থানায় ডায়েরি করেছিলাম । কিন্তু তার আংশিক ঠিকানা থাকায় ফুল অ্যাকশান নেওয়া সম্ভব হইনি । তারপর আমার বিরুদ্ধে কুৎসিত আরটিক্যাল লিখেলেন আর বললেন আমি আপনার বিরুদ্ধে নিউজ পেপারে আরটিক্যাল পাবলিশ করাব , কারন দুর্ভাগ্য বসত বাংলাদেশে সম্পাদকেদের বেশি করে টাকা দিলেই তারা সত্য-মিথ্যা না যাচায় করে ছেপে দেয়... তার কাগজের পাতায় । যেমন টা আমাকে ফেইচ হতে হয়েছিল পরে আমাকে সে বিভিন্ন ভাবে মানুষিক টর্চার করে । বাংলাদেশের এবং আমার ছিটির এক তরুনকে হাইর করে কিছু পয়সা কড়ি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে পস্টারিং করান । মুলত সে ছিলেন ঠক বাজ ভণ্ড ও প্রতারক ক্লায়েন্ট । অডেস্ক এ জব পোস্ট করেন, এস,ই ও, ওয়েব ডেজাইন, আইটি সেক্টর আর পরে সবাইকে এমন ভাবে ব্যাবহার করেন আর তাদের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করেন । তাদের পিছি, আর আইপি এড্রেস ব্যাবহার করে । প্রয়োজনে তার কম্পিউটারে থাকা গুরুত্তপূর্ণ ডকুমেন্ট আত্মসাৎ করে টাকাম পয়সার দাবি করে থাকেন ।বাংলাদেশের সাধারন মানুষদের কাছ থেকে ন্যাশনাল আইডি নিয়ে বিভিন্ন ক্লেইম করে আইডি কাডের ডাটা পরিবর্তন করে সেই নিরীহ, সাধারন ব্যাক্তিদের বিপদে ফেলাতে পারেন খুব সহজে ।স-ভাগ্য বসত কাহিনি শেষ হবার পরে গোলাপ রাব্বির সাথে আমার কথা হয়েছিল, জানতে পেরেছি তাকে দিয়ে সেই ইমেইল গুলার কাজ করিয়ে নিয়েছিলেন । এবং আমাকে ক্লায়েন্ট বলেছিলান পাসওয়ার্ড আপনি পরিবর্তন করেছেন । মূলত গোলাম রাব্বি এবং আনন্দ নামের এক ব্যাক্তির দ্বারা কালায়েন্ট ই- মেইল গুলার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করিয়ে
ছিলেন । এবং গোলাপ রাব্বিকেউ ঠিক আকই ভাবে বিপদে ফেলানর চেষ্টা করেছিলেন । এবং তার নামেও কুৎসিত আরটিক্যাল পোষ্ট করেছেন অনলাইন পত্রিকাতে । এবং টাকা দিয়ে সম্পাদকদের কিনে নিয়ে তাদের সাইটে উলটা পালটা আপত্তি কর আরটিক্যাল ছাপানো হয় । তার নমুনা স্বরূপ কিছু সাইটের লিঙ্ক দিলাম ।
http://www.eurobdnews.com/bangladeshi-local-n…/…/12/13/90444
http://www.coxsbazarnews.com/
 সবাইকে সাবধানের জন্য প্রতারক, ভণ্ড ক্লায়েন্টের স্কাইপি আইডি দেওয়া হল (odesk.as4)
পরিশেষে এমন ক্লায়েন্টের কাছ থেকে দূরে থাকুন সবায়, ধন্যবাদ

বৃহস্পতিবার, ১২ জুন, ২০১৪

আমি হব সকাল বেলার পাখি


আমি হব সকাল বেলার পাখি
সবার আগে কুসুম বাগে
উঠব আমি ডাকি।
"সুয্যি মামা জাগার আগে
উঠব আমি জেগে,
'হয়নি সকাল, ঘুমোও এখন',
মা বলবেন রেগে।


বলব আমি- 'আলসে মেয়ে
ঘুমিয়ে তুমি থাক,
হয়নি সকাল, তাই বলে কি
সকাল হবে নাক'?

আমরা যদি না জাগি মা
কেমনে সকাল হবে ?
তোমার ছেলে উঠবে মা গো
রাত পোহাবে তবে।

আমার যাবার সময় হল দাও বিদায়

আমার যাবার সময় হল দাও বিদায়
মোছ আঁখি দুয়ার খোল দাও বিদায়।।
ফোটে যে ফুল আঁধার রাতে
ঝরে ধুলায় ভোর বেলাতে।।
আমায় তারা ডাকে সাথী
আয়রে আয়  
সজল করুন আঁখি তোলো  দাও বিদায়
অন্ধকারে এসেছিলাম
থাকতে আঁধার যাই চলে
ক্ষনেক ভালবেসেছিলে চিরকালের নাই হলে
হল চেনা হল দেখা
নয়ন জলে রইল লেখা
দর বিরহী ডাকে কেকা বরষায়
ফাগুন স্বপন ভোলো ভোলো দাও বিদায়।।

মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০১৩

উৎসর্গ


আকাশ জুড়ে বৃষ্টি আর বৃষ্টি ভেজা মন,
মন বলে ভাল থাকুক আমার আপন জন।
নীল রঙ্গের আকাশ এখন মেঘে ঢাকা কালো
আমি আছি ভালো, বন্ধু তুমি কেমন আছো ?
সারাক্ষন ভালো থেকো ভালবাসা মনে রেখ,
দিনের বেলায় হাসি মুখে,
রাতের বেলায় অনেক সুখে......
নানা রঙের স্বপ্ন দেখ, স্বপ্নের মাঝে আমায় রেখ......

শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

যখন পরবেনা মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে...



যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে,
আমি    বাইব না মোর খেয়াতরী এই ঘাটে, চুকিয়ে দেব বেচা কেনা, মিটিয়ে দেব গো, মিটিয়ে দেব লেনা দেনা, বন্ধ হবে আনাগোনা এই হাটে--তখন আমায় নাইবা মনে রাখলে,তারার পানে চেয়ে চেয়ে নাইবা আমায় ডাকলে।
   
যখন    জমবে ধুলা তানপুরাটার তারগুলায়,কাঁটালতা উঠবে ঘরের দ্বারগুলায়,   আহা,
ফুলের বাগান ঘন ঘাসের   পরবে সজ্জা বনবাসের, শ্যাওলা এসে ঘিরবে দিঘির ধারগুলায়--তখন আমায় নাইবা মনে রাখলে,তারার পানে চেয়ে চেয়ে নাইবা আমায় ডাকলে। তখন   এমনি করেই বাজবে বাঁশি এই নাটে,কাটবে দিন কাটবে,কাটবে গো দিন আজও যেমন দিন কাটে,    আহা,ঘাটে ঘাটে খেয়ার তরী   এমনি সে দিন উঠবে ভরি-চরবে গোরু খেলবে রাখাল ওই মাঠে। তখন আমায় নাইবা মনে রাখলে, তারার পানে চেয়ে চেয়ে নাইবা আমায় ডাকলে।
   
তখন   কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি। সকল খেলায় করবে খেলা এই আমি-- আহা, নতুন নামে ডাকবে মোরে,   বাঁধবে নতুন বাহু-ডোরে, আসব যাব চিরদিনের সেই আমি। তখন আমায় নাইবা মনে রাখলে,তারার পানে চেয়ে চেয়ে নাইবা আমায় ডাকলে॥

শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০১৩

যখন আমি ছোট ছিলাম

ছেলেবেলায় ভাবতাম চাঁদটা বুঝি আমার সাথে সাথে যাচ্ছে। বন্ধুদের সাথে মারপিট করার সময় মুখ দিয়ে টিগিস,টিগিস ইয়ালি বিডিমস, ইত্যাদি শব্দ করতাম। ক্রিকেট খেলার সময় সবার আগে ব্যাট করতে চাইতাম, যদি আউট হয়ে যাই , তাহলে নতুন করে আবার ব্যাট করার জন্য আবেদন করতাম। ফল খেতে গিয়ে ফলের বিচি খেলে ফেললে ভাবতাম, পেটের ভিতর বুঝি গাছ বেরুবে।শান পাপড়ি,তালের খাজা, মালাই বরফ বা বাদাম ভাজা জাতীয় কিছু আসলে মাথা হাং হয়ে যেত। প্লেন বা হেলিকাপ্টারের আওয়াজ শুনে সেটা দেখার জন্য আকাশ পানে চেয়ে রইতাম। গোসল করিয়ে দেবার সময় মুখে সাবান দিতে দিতাম না চোখ জ্বলার ভয়ে। স্কুলে যাবার সময় কলমের হেড চাবাতে কতইনা ভাল লাগত।
যখন পড়াশুনা করতাম না তখন আমার বাবা মাঠে গরুর ঘাস কাটতে জাবার কথা বলতেন।

আমি জানিনা পথ ও পথের দূরত্ব , জানিনা বরফ ঢাকা নদীর ঘনত্ব, শুধু এতুতুকু জানি, গন্তব্বের স্থান যত দুরেই হোক দিতে হবে পাড়ি।